১৩) মহিলা কর্মীদের অধিকার সর্ম্পকিত নীতিমালা

                   


                 (মহিলা কর্মীদের অধিকার সর্ম্পকিত নীতিমালা)

উদ্দেশ্যঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ (সংশোধনী-১৩) এবং বিধি-২০১৫ ও সম্মানিত ক্রেতা সাধারণের নীতিমালা অনুযায়ী মহিলা কর্মীদের জন্য সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা।

নীতিমালা কার্যকরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি/ বিভাগঃ কমপ্লায়েন্স এবং মানব সম্পদ বিভাগ ।

নীতিমালা সর্বশেষ সংশোধনের তারিখঃ        

পরবর্তী সংশোধনের তারিখঃ                           


--------------------- লিঃ মহিলা শ্রমিকদের অধিকার সমন্ধে সর্বদাই সচেতন। আমাদের কারখানায় মহিলা কর্মীরা অনেক সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন। যা আমরা বাংলাদেশে শ্রম আইন ও আমাদের সকল ক্রেতার / বায়ারের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারন করি। অধিকার সমূহ নিন্মে বর্নিত হলঃ

১) কর্মী-নিয়োগঃ আমাদের কারখানায় মহিলা কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে মহিলা ও পুরুষ ভেদাভেদ করা হয় না। যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতার ভিত্তিতে মহিলা কর্মীরা সঠিক ও যথার্থ পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। গর্ভবর্তী মহিলা কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থাকে কোন অবহেলা করা হয় না। তাছাড়া ঐ কর্মীকে নিয়োগের ক্ষেত্রে তার কাছ থেকে কোন প্রকার গর্ভকালীন পরীক্ষার কথা জানতে চাওয়া হয় না।

 

২) মার্তৃত্ব কালীন ছুটিঃ আমাদের কারখানায় গর্ভবতী মহিলা কমীদেরকে সবেতনে আইন অনুযায়ী ১৬ সপ্তাহ বা ১১২ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি প্রদান করা হয়। যদি চাকুরীকাল ৬ মাস পূর্ন হয় সে এই সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

 

৩) গর্ভবস্থায় সুযোগ সুবিধাঃ আমাদের কারখানায় গর্ভবর্তী মহিলাদের দ্বারা কোন প্রকার ভারী কিংবা ঝুকিপূর্ন কাজ করানো হয় না। তাছাড়া গর্ভাবস্থায় কোন মহিলা শ্রমিক দ্বারা অতিরিক্ত কর্মঘন্টা (ওভার টাইম) করানো হয় না।

 

৪) বৈষম্যহীনতাঃ আমাদের কারখানায় মহিলা ও পুরুষ কর্মীদের কর্মস্থলে বৈষম্য নেই। মহিলা ও পুরুষ একই পরিবেশে, একই চিকিৎসা সেবায়, একই শৃংখলা আইনে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে।

 

৫)  পক্ষপাত মুলক আচরনঃ পদোন্নতি, শ্রেষ্ঠ কর্মী নির্বাচন চাকুরীচ্যুতি অথবা বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে কোন প্রকার পক্ষপাতমূলক আচরন করা হয় না।

 

৬) সমবেতনঃ আমাদের কারখানায় একই কাজের জন্য সমান কর্মদক্ষতা সম্পন্ন একজন পুরুষ কর্মী যে পরিমান বেতন পায়, একজন মহিলা কর্মীও সেই পরিমান বেতন পেয়ে থাকে।

 

৭) প্রতিনিধিত্বকারীঃ কারখানার শ্রমিকদের অংশগ্রহনকারী কমিটিতে নারী শ্রমিক সদস্যদের অধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হয় যাতে তারা তাদের সমস্যাগুলো উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে পারে।

 

৮) ডে-কেয়ার সেন্টারঃ আমাদের কারখানায় ডে-কেয়ার সেন্টারের সুবিধা রয়েছে। এখানে মহিলা কর্মীরা কর্মকালীন সময়ে তাদের ৬ বছর পর্যন্ত বয়সের বাচ্চাদের নিরাপদে রাখতে পারেন। যেখানে ১ জন অভিঞ্জ মহিলা এটেনডেন্ট বাচ্চাদের পূর্ণ তদারকির দায়িত্বে রয়েছে।

 

৯) মহিলা অধিকারকে সামনে রেখে শ্রম আইনের আলোকে আামাদের আরো কিছু সুবিধা উল্লেখ করা হলোঃ

 

(ক)  আমাদের কারখানায় কোন সুস্থ মহিলা ৫৬ পাউন্ডের বেশী মাল উত্তোলন করে না।

(খ) কোন মহিলা শ্রমিক তার অনুমতি ব্যতিত রাত ১০ ঘটিকার পর কাজ করানো হয় না।

 

 

 

  প্রস্ততকারী       সমন্বয়কারী          অনুমোদনকারী

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ